About

 

স্ট্যাটিসটিক্যাল মডেলিং আর সোশ্যাল সায়েন্স-এর প্রায়োগিক ক্ষেত্র হিসেবে, কয়েকজন মিলে ঠিক করেছিলাম, পলিসি রিসার্চ-এ স্ট্যাটিসটিক্যাল মডেলিং-এর প্রায়োগিক সম্ভাবনাটা পরখ করে দেখবো। প্রথম বিশ্বে, একটা গালভরা নাম আছে এভিডেন্স বেস্‌ড পলিসি রিসার্চ। এই পোস্টকলোনির অ্যাকাডেমিয়া কিছু ব্যতিক্রম বাদে বেশির ভাগসময়েই, ফুটনোট লেখে। বেশ কিছু বছর আগে, আমরা ঠিক করেছিলাম, ফুটনোট নয়, আস্ত পরিচ্ছেদই লিখবো। বেশ একটা ইকোসিস্টেম ম্যানেজমেন্ট মডেল তৈরি হবে। কিছু বাহবা কুড়োবো।
কিন্তু ‘আমরা ক-জনা’ বলে রিসার্চ করার রেওয়াজ নেই। তাহলে? আমাদের মধ্যে যারা কর্পোরেটে কাজ করতেন, যাঁরা নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেছেন, তাঁদের ছাড়াও আর একদল ছিলেন। যাঁরা এনজিওতে কাজ করে পয়সা পাননি, রিসার্চ গ্রান্টের টাকায় ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ হতে দেখেছেন। তাই এনজিও করা যাবে না। আমরা নিজেদেরকে একটা নাম দিলাম, ‘কমন্স রিসার্চ কালেক্টিভ’, মূলতঃ কমন্স প্রপার্টি বা পাবলিক গুডস নিয়ে আমাদের কাজ, এরকম একটা ভাবনা মাথায় রেখে। কার্যক্ষেত্রে দেখা গেলো রিসার্চ কালেক্টিভ ব্যাপারটা খায় না মাথায় দ্যায়, সেটাই বেশির ভাগ মানুষ, মূলতঃ সরকারি আধিকারিকেরা বুঝে উঠতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়েই থুতু গিলে, একটা সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন করতে হল। কলকাতা কমন্স সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিক্স, সংক্ষেপে সিরা (CIRA), কেউ কেউ অবশ্য কলকাতা কমন্স নামটা বেশি পছন্দ করলেন। রেজিস্ট্রেশন তো হলো, কিন্তু সঙ্গে ঠিক হলো, যতদিন নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজটা একটা ঠিকঠাক জায়গায় না পৌঁচোচ্ছে, ততদিন কোনরকম ফান্ডিং নেওয়া হবে না। গাঁটের কড়ি খরচ করেই গোটা কাজটা করা হবে, আমাদের সকলেরই ততদিনে কমবেশি ফান্ডিং নির্ভর রিসার্চে কত বড় অশ্বডিম্ব প্রসব হতে পারে সেসম্পর্কে একটা আইডিয়া তৈরি হয়ে গেছে।